২০১৬ সালে ওয়ার্কিং হলিডে ভিসায় নিউজিল্যান্ডে গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন যুক্তরাষ্ট্রের এরিন ক্ল্যাট। ২০২৬ সালের শুরুতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন। ট্রাম্প প্রশাসনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিদেশে বসবাসকারী মার্কিন নাগরিকদের ওপর করের চাপ—এই দুই কারণেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নেন। নাগরিকত্ব ত্যাগের সময় তিনি ২,৩৫০ ডলার ফি পরিশোধ করেন, যা পরে প্রায় ৮০ শতাংশ কমানো হয়।
আমেরিকেন্স ওভারসিস নামের একটি প্রতিষ্ঠান জানায়, ২০২৫ সালে আইআরএসের তালিকায় ৪,৮৮৯ জন মার্কিন নাগরিক নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন, যা ২০২০ সালের পর সর্বোচ্চ। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এ বছর নাগরিকত্ব ত্যাগে আগ্রহীদের অনুসন্ধান ১৫ শতাংশ বেড়েছে এবং এই প্রবণতা আগামী বছরগুলোতেও অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক “অ্যাকসিডেন্টাল আমেরিকান” যুক্তরাষ্ট্রে না থেকেও জটিল কর-দায়বদ্ধতার মুখে পড়ছেন।
অভিবাসন আইনজীবীরা সতর্ক করে বলেছেন, নাগরিকত্ব ত্যাগের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস বা ভ্রমণের অধিকার হারানোর ঝুঁকি থাকে। তবে অনেকের কাছে এটি অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক নয়, বরং পরিচয়ের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।