দুর্নীতি দমন কমিশন জানিয়েছে, শেয়ারবাজারে কারসাজি ও জালিয়াতির মাধ্যমে ২৫৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে প্রমাণ পেয়েছে তারা। ৬ আগস্ট রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম বলেন, মামলাটির তদন্ত শেষ হয়েছে এবং সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।
এ মামলাটি ২০২৫ সালের ১৭ জুন দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন দায়ের করেন। অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ. মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির এবং তানভীর নিজাম।
সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাকিবের বিরুদ্ধে দুদকে আরও একাধিক অভিযোগের তদন্ত চলছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে অবৈধ জুয়া ব্যবসা, গোল্ড স্মাগলিং, ব্যবসায়ীদের অর্থ আত্মসাৎ এবং নির্বাচন কমিশনে সম্পদের তথ্য গোপনের বিষয় রয়েছে। আর্থিক অনিয়ম ও বাজার কারসাজির অভিযোগে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট তার ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।