লেখক বলেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে দায়মুক্তিমূলক রিকনসিলিয়েশনের প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, অগ্রাধিকার হওয়া উচিত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, বিচারব্যবস্থা ও প্রশাসনের সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকটের সমাধান এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। নাগরিক নিরাপত্তা, অধিকার সুরক্ষা ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানই স্থিতিশীলতার ভিত্তি তৈরি করবে বলে তিনি মত দেন।
রিকনসিলিয়েশন কার সঙ্গে, কী শর্তে এবং কোন উদ্দেশ্যে হবে—এসব প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর দাবি করেছেন লেখক। তিনি বলেছেন, এ উদ্যোগ ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রে সহায়তা করবে নাকি অতীতের অন্যায়-অপরাধের দায় মিটমাট করে রাজনৈতিক পুনর্বাসনের পথ খুলবে, তা বিবেচনা জরুরি। বিএনপিকেও এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় জনসমর্থন, গ্রহণযোগ্য কর্মসূচি, কার্যকর নেতৃত্ব ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের ওপর গুরুত্ব দেন।
লেখক রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে প্রমাণ ও আইনের ভিত্তিতে অপরাধের বিচার চান এবং প্রমাণ ছাড়া কাউকে অভিযুক্ত করার বিরোধিতা করেন। পুলিশ, বিচার বিভাগ ও প্রশাসনে জনবল, দক্ষতা, প্রযুক্তি এবং জবাবদিহিতা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। জ্বালানি খাতে পরিকল্পনা ও ক্রয়প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, কার্যকর নিরীক্ষা এবং স্বাধীন তদারকির কথাও বলা হয়েছে। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় ক্ষতিগ্রস্ত ও নির্যাতিত পরিবারের বক্তব্য শোনার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।