Web Analytics

টানা তৃতীয় বছরের মতো গাজার বাসিন্দারা এবারও ঈদুল আজহায় কোরবানি দিতে পারছেন না। গবাদি পশুর মারাত্মক সংকটের কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একসময় শত শত ভেড়া ও ছাগল বিক্রি করা পশুপালক মাজেন আল-জেরজাউই এখন একটি ছোট রেস্তোরাঁ চালান এবং বাইরে থেকে আসা হিমায়িত মাংসের ওপর নির্ভর করছেন। ইসরাইলের অবরোধের কারণে গাজায় কোনো জীবন্ত পশু প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

গাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজার ৯০ শতাংশেরও বেশি পশুসম্পদ খাত ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা জানিয়েছে, অন্তত ৮০ শতাংশ ভেড়া এবং ৭০ শতাংশ ছাগল মারা গেছে। কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধের আগে ৬০ হাজার ভেড়া ও ছাগল থাকলেও এখন তা কমে মাত্র তিন হাজারে দাঁড়িয়েছে।

এই পরিস্থিতি গাজার প্রায় ২০ লাখ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তাহীনতাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। অনেক পরিবার ঈদ উদযাপন করতে পারছে না, কেউ কেউ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে মাংস খেতে পারেননি।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।