২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়, একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনের ভোট স্থগিত করা হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ৮৬ জন নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, কিন্তু সরাসরি নির্বাচিত হন মাত্র সাতজন। বাকি নারী সংসদ সদস্যরা সংরক্ষিত আসনের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন, যা দলভিত্তিক আসনসংখ্যার আনুপাতিক হারে নির্ধারিত হয়।
২০০৪ সালের সংরক্ষিত মহিলা আসন নির্বাচন আইন অনুযায়ী, প্রতি ছয়টি সাধারণ আসনের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত আসন নির্ধারিত হয়। নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করে এবং দলগুলো প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। অতীতে অনেক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এবারের নির্বাচনে বিএনপি জোট ২১২টি আসনে জয় পেয়েছে, ফলে তারা প্রায় ৩৫টি সংরক্ষিত আসন পেতে পারে। জামায়াতে ইসলামী জোট পেতে পারে ১২ থেকে ১৩টি আসন।
বর্তমানে সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা ৫০। বিশ্লেষকেরা মনে করেন, এই পরোক্ষ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীর প্রকৃত ক্ষমতায়ন কতটা হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।