নিবন্ধটিতে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের সাম্প্রতিক যুদ্ধ এবং গাজা যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের আধিপত্যকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। লেখাটির দাবি, ওয়াশিংটন ইরানের সরকারকে সরাতে, উপসাগরীয় মিত্রদের রক্ষা করতে কিংবা হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে; ফলে ১৯৯১ সালের পর গড়ে ওঠা নিরাপত্তাব্যবস্থা দুর্বল হয়েছে।
বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ৩৫ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির কেন্দ্র ছিল ইসরাইলের নিরাপত্তা এবং ইরান ও ইরাককে নিয়ন্ত্রণে রাখা। সামরিক ঘাঁটি ও নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে তারা আঞ্চলিক স্বৈরশাসকদের সহায়তা দিয়েছে বলে নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়। যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা, ব্যর্থ শান্তি উদ্যোগ এবং ইসরাইলকে নিঃশর্ত সমর্থন সহিংসতা, দারিদ্র্য ও জনঅসন্তোষ বাড়িয়েছে বলেও এতে দাবি করা হয়েছে।
লেখাটিতে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় দেশগুলো এখন ইরানের সঙ্গে আলোচনা বা চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানোর মতো স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সামরিক আগ্রাসনের বদলে কূটনীতি, সমন্বিত প্রতিরক্ষা, মানবাধিকার এবং মিত্রদের ওপর জবাবদিহির চাপকে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য বিকল্প পথ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।