অর্থনৈতিক দুর্বলতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, সন্ত্রাসবাদ ও আঞ্চলিক অসন্তোষে পাকিস্তানের সংকট গভীর হচ্ছে বলে শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের সাম্প্রতিক বক্তব্যে উঠে এসেছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ ভারত ও পাকিস্তানের গতিপথ তুলনা করে বলেন, প্রায় একই সময়ে স্বাধীনতা পেলেও অর্থনীতি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো, শিল্প ও আন্তর্জাতিক প্রভাবে পাকিস্তান পিছিয়ে পড়েছে। তিনি বেলুচিস্তান, খাইবার পাখতুনখাওয়া ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করেন।
জুলাইয়ে পাকিস্তান ইকোনমিক সামিটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি বলেন, দীর্ঘদিনের রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। তিনি নতুন প্রদেশ বা প্রশাসনিক ইউনিট গঠনের মাধ্যমে বড় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন, তবে পরে জানান যে এটি শাহবাজ শরিফ সরকার সরানোর আহ্বান নয়। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমানও সামরিক বাহিনীর রাজনৈতিক ভূমিকার সমালোচনা করেছেন।
বিচ্ছিন্নতাবাদী সহিংসতা, জঙ্গি তৎপরতা, জন-অসন্তোষ, মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও ঋণের চাপ পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করছে। প্রতিবেদনের মতে, দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য অর্থনৈতিক উন্নয়ন, রাজনৈতিক বৈধতা, কার্যকর প্রশাসন ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।