রাজশাহীতে ২০ আগস্ট এক জনসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে গোয়েন্দা তথ্যের রাজনৈতিক ব্যবহার নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থান ও কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ তৈরির চেষ্টা চলছে এবং এ বিষয়ে সরকারের কাছে স্পষ্ট গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পলাতক স্বৈরাচারী গোষ্ঠী এতে অর্থ জোগাচ্ছে এবং নির্বাচনের আগে ‘টিকিট’ বিক্রির চেষ্টা করা কয়েকটি দলও জড়িত।
মৌলভীবাজারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিরোধী দলের নেতা শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রমাণ চেয়েছেন। তিনি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেন, কোথায়, কখন, কার সঙ্গে এবং কীভাবে তার দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে ছিল বা কথা বলেছে, তা প্রধানমন্ত্রীকে দেখাতে হবে। নিবন্ধটিতে এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যকে সামরিক ও বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থার কথিত রাজনৈতিক ব্যবহারের দীর্ঘ বিতর্কের অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
নিবন্ধের মতে, গোয়েন্দা সংস্থার রাজনৈতিক ব্যবহার গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল করে, ভয়ের সংস্কৃতি সৃষ্টি করে এবং জাতীয় নিরাপত্তার কাজ থেকে সংস্থাগুলোকে সরিয়ে দেয়। এতে গোয়েন্দা সংস্থাকে সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর আওতায় আনা এবং সংসদীয় তদারকি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।