Web Analytics

শিক্ষা, কর্মসংস্থান, ভোটাধিকার ও সরকারের জবাবদিহিসহ বিভিন্ন দাবিতে গত চার মাস ধরে ভারতের তরুণেরা দফায় দফায় রাজপথে নেমেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। সাংবাদিক সোমিনি সেনগুপ্তের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, আন্দোলন সাময়িকভাবে স্তিমিত হলেও এটি রাজনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

দুর্বল শিক্ষাব্যবস্থা, চাকরির সংকট, জবাবদিহির অভাব এবং রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার প্রতি অনাস্থা আন্দোলনের পটভূমি। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, সরকারের কাছে জবাব চাওয়া ও অন্যায়ের প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকার, বিশৃঙ্খলা নয়। ভোটার তালিকা সংশোধনে ১৩ কোটি নাম বাদ পড়ার ঘটনায় নির্বাচন কমিশন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যদিও এর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে অভিযোগ বিতর্কিত। আদালত, রাজনৈতিক দল ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিও তরুণদের হতাশার কথা বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

ককরোচ জনতা পার্টি ব্যঙ্গ, রসিকতা ও ইনস্টাগ্রাম রিল ব্যবহার করে তরুণদের যুক্ত করেছে; গ্রেপ্তারের পর বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের অভিজ্ঞ কর্মীরাও ভূমিকা নেন। জাতীয় পতাকা, সংবিধানের কপি ও গান্ধীর প্রতীক ব্যবহার করে প্রতিবাদকারীরা নিজেদের গণতান্ত্রিক আদর্শের রক্ষক হিসেবে তুলে ধরেছেন। আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে তাদের সংগঠিত থাকা, রাজনৈতিক দলগুলোর সাড়া এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর আস্থা পুনরুদ্ধারের ওপর।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।