২০১৬ সালের গণভোটে ৫২ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষে ভোট দেওয়ার এক দশক পরও যুক্তরাজ্য রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক মন্থরতার সঙ্গে লড়ছে। এই সময়ে দেশটিতে ছয়জন প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তিত হয়েছে, এবং শিগগিরই সপ্তম প্রধানমন্ত্রী আসছেন। সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার দুই বছর দায়িত্ব পালনের পর পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্রেক্সিটের প্রভাব এখনো ব্রিটিশ রাজনীতির গভীরে প্রবাহিত হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, ব্রেক্সিট যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ইইউতে রপ্তানি প্রায় ১২ শতাংশ এবং আমদানি ১৬ শতাংশ কমেছে। শুল্কমুক্ত চুক্তি থাকা সত্ত্বেও নতুন কাগজপত্র, সীমান্ত তদারকি ও নিয়মকানুন বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতর বিভাজন বেড়েছে এবং বহু ভোটার গ্রিন পার্টি ও রিফর্ম ইউকের মতো বিকল্প শক্তির দিকে ঝুঁকছেন। সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ ব্রিটিশ এখন আবার ইইউতে যোগ দিতে চান।
গবেষকদের মতে, ব্রেক্সিটের উত্তরাধিকার মোকাবিলায় রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রস্তুত না হলে দেশটি দীর্ঘস্থায়ী সংকটে নিমজ্জিত থাকবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।