Web Analytics

ইরান যুদ্ধজনিত জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার টেন্ডার প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে ডিরেক্ট পারচেজ মেথড (ডিপিএম) পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই, নেদারল্যান্ড, হংকং, কাজাখস্তান, মালয়েশিয়া ও জাপানের ১২টি কোম্পানিকে ডিজেল, অকটেন ও ক্রুড অয়েল সরবরাহের অনুমতি দেয়। তবে মে ২০২৬-এর মাঝামাঝি পর্যন্ত কোনো কোম্পানি তেল সরবরাহ করতে পারেনি। মাত্র দুটি কোম্পানি পারফরম্যান্স গ্যারান্টি দিয়েছে এবং একটি কোম্পানি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি জানিয়েছে। জ্বালানিমন্ত্রী জানান, আতঙ্কে তেল কেনার প্রবণতা ঠেকাতে ও মজুত বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) জানায়, যুদ্ধকালীন অনিশ্চয়তার কারণে ডিপিএম পদ্ধতি সাময়িকভাবে চালু করা হয়েছিল। বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, সরবরাহের সময় প্ল্যাটস আরব গালফ রেটের ভিত্তিতে তেলের দাম নির্ধারণ হবে। তিনি জানান, তিনটি কোম্পানি যথাযথ প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছে, বাকিরা সময়মতো সাড়া দেয়নি বা সরবরাহে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। সরকার এখন জুন-আগস্ট মেয়াদে ৯০ দিনের মজুত নিশ্চিত করতে উন্মুক্ত টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ফিরেছে।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ বলেছে, জরুরি পরিস্থিতিতে সরাসরি ক্রয় বৈধ হলেও সরবরাহকারী নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।