বাংলাদেশের কয়েকটি জেলায় সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগের পাশাপাশি সার পাচার ও অবৈধ মজুতের ঘটনা সামনে এসেছে। কক্সবাজারের মহেশখালীতে ৪৮টি আবেদনের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত নয়জন ডিলারই স্থানীয় সংসদ সদস্য আলমগীর মাহফুজ উল্লাহ ফরিদের অনুসারী বলে অভিযোগ করেছেন তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মী ও বঞ্চিত ব্যবসায়ীরা। তাঁদের দাবি, নিয়োগে স্বচ্ছতা মানা হয়নি এবং দলীয় প্রভাব, স্বজনপ্রীতি ও অবৈধ লেনদেন হয়েছে।
অভিযোগকারীরা বলেন, কাগজে-কলমে দোকান নেই এমন ব্যক্তি এবং এলাকার বাইরে থাকা প্রবাসীর স্ত্রীকেও ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। এতে কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে সার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হতে পারেন বলে তাঁদের আশঙ্কা। শেরপুরের শ্রীবরদীতে প্রস্তাবিত তালিকায় সংসদ সদস্যের ভাই, ফুপাতো ভাই, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়কের স্ত্রী ও দলীয় নেতাদের নাম থাকায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আবেদনকারী আবু রায়হান বাবুল সরাসরি অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন।
মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে পার্শ্ববর্তী নাগরপুরে পাচারের সময় স্থানীয় জনতা ১১ বস্তা সার আটক করেছে। অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে অবৈধভাবে ২৭ বস্তা রাসায়নিক সার মজুতের দায়ে ব্যবসায়ী পারভেজ প্রিন্সকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে ২০ বস্তা ডিএপি ও সাত বস্তা টিএসপি সার জব্দ করা হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।