অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, 'রাজনৈতিক দলগুলো আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের মধ্য থেকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে এবং সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ সংশোধনের পক্ষপাতী হয়েছে। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে সমন্বয় হয়নি। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান সংশোধন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিস্বাক্ষরের পরিবর্তে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের প্রস্তাব এবং দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে জাতীয় সনদ তৈরি করার পরিকল্পনা আলোচনা হয়েছে।' বিভিন্ন দলের প্রতিনিধি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্ব ও জবাবদিহিতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।