দেশের সবচেয়ে বড় ইসলামী ব্যাংক পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ ও স্থায়ী ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছাড়াই চলছে। ব্যাংকটির এমডি পদ তিন মাসের বেশি সময় ধরে শূন্য, যদিও আইনে তিন মাসের মধ্যে পদ পূরণের বিধান রয়েছে। গত ১৪ জুন পুরো পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. জহির হোসেনকে পর্ষদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি বলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পূর্ণাঙ্গ পর্ষদ প্রয়োজন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শে ২৪ মে চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করেন এবং একই রাতে খুরশীদ আলমকে স্বতন্ত্র পরিচালক ও চেয়ারম্যান করা হয়। জুনের শুরুতে গ্রাহকদের বিক্ষোভ ও আমানত উত্তোলনে তারল্য সংকট তৈরি হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক ১৭ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেওয়ার পরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১৪ জুন পর্ষদ বিলুপ্ত করা হয়। নিয়োগ নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
সেপ্টেম্বরে তিন শীর্ষ কর্মকর্তার চাকরির মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং আটজনের পুনর্নিয়োগ আবেদনও নিষ্পত্তিহীন। আমানত ১ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা থেকে ১ লাখ ৬১ হাজার কোটিতে নেমেছে। প্রথম ছয় মাসে পরিচালন লোকসান প্রায় ১ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা এবং জুন শেষে খেলাপি ঋণ ছিল ৯৮ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৫২ শতাংশ।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।