Web Analytics

মাত্র ৩৮ বছর বয়সী সেনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ত্রাওরে ২০২২ সালের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর বুরকিনা ফাসোর আলোচিত নেতা হয়েছেন। তিনি সমর্থকদের কাছে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও বিদেশি প্রভাববিরোধী প্রতিরোধের প্রতীক। তবে দেশে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিধিনিষেধ, অব্যাহত নিরাপত্তা সংকট এবং জাতীয় পুনর্জাগরণের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন বাড়ছে। এপ্রিল মাসে তিনি জনগণকে ‘গণতন্ত্র ভুলে যেতে’ বলেন এবং দেশকে বিপ্লবী সময়ের মধ্যে থাকার কথা উল্লেখ করেন।

ত্রাওরের সরকার ফরাসি সেনা প্রত্যাহার, রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার এবং স্থানীয় শিল্প ও কৃষিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। চাল ও ভুট্টার উৎপাদনে বিনিয়োগ, প্রক্রিয়াজাত শিল্প, অবকাঠামো ও কৌশলগত খাতে রাষ্ট্রীয় অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। নিরাপত্তায় সেনাবাহিনীকে সহায়তার জন্য ‘ভলান্টিয়ার্স ফর দ্য ডিফেন্স অব দ্য হোমল্যান্ড’ কর্মসূচিও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। সমর্থকদের মতে, এসব পদক্ষেপ অর্থনৈতিক স্বাধীনতার ভিত্তি তৈরি করছে।

তবে আল-কায়েদা ও আইএস-সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীর হুমকি এখনো রয়ে গেছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মুস্তাফা বাতুরে সাল্লামা বলেন, ত্রাওরের নেতৃত্বের মূল্যায়ন নিরাপত্তার উন্নতির ওপর নির্ভর করবে। তাঁর মতে, ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত এবং লাখো মানুষ মানবিক সহায়তার প্রয়োজনের মধ্যে রয়েছে। রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত ও কার্যক্রম স্থগিতের পাশাপাশি সামরিক রূপান্তরকাল বাড়ানোয় বেসামরিক শাসনে ফেরার প্রক্রিয়াও পিছিয়েছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।