হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা গ্রামের ৩৪ বছর বয়সী মো. বাবুল মিয়া ইরান যুদ্ধের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। ২০১৯ সালে কাজের সন্ধানে ওমান গিয়ে পরে অবৈধভাবে ইরানে প্রবেশ করেন তিনি। তেহরানের কাছাকাছি হাসিনাবাদে একটি লোহার কোম্পানিতে কাজ করতেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হলে টানা ২০ দিন ভাত না খেয়ে শুকনো খাবারে বেঁচে ছিলেন। চারদিকে মিসাইল হামলা, সাইরেনের শব্দ ও ধ্বংসস্তূপে ঘেরা অবস্থায় দিন কাটান তিনি।
বাবুল মিয়া জানান, তাদের এলাকায় সবচেয়ে বেশি হামলা হয়েছিল, এক হামলায় ১৬৬ জন স্কুলশিক্ষার্থী নিহত হয়। বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তায় তিনি আজারবাইজানে পৌঁছে ১৫ এপ্রিল দেশে ফেরেন। দূতাবাস কর্মকর্তারা তাদের উদ্ধার ও বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেন।
তিনি বলেন, ইরানকে যেভাবে রেখে এসেছেন, দেশটি কীভাবে আবার স্বাভাবিক হবে তা নিয়ে তিনি অনিশ্চিত।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।