Web Analytics

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের ব্যাংকিং খাতে ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক প্রতিবেদনকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে প্রত্যাশিত ঋণ ক্ষতি (ইসিএল) পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিবেদন মান আইএফআরএস-৯ অনুযায়ী এই পদ্ধতি ২০২৮ সাল থেকে কার্যকর হবে। নতুন ব্যবস্থায় ব্যাংকগুলোকে ঋণ খারাপ হওয়ার আগেই সম্ভাব্য ক্ষতির জন্য প্রভিশন রাখতে হবে, যা বর্তমান ‘ক্ষতি হওয়ার পর’ ভিত্তিক প্রভিশনিং পদ্ধতির পরিবর্তে আসবে।

গাইডলাইন অনুযায়ী ঋণ তিন ধাপে শ্রেণিকরণ করা হবে এবং ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী ১২ মাস বা পুরো মেয়াদের সম্ভাব্য ক্ষতির ভিত্তিতে প্রভিশন নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি সুদ আয়ের হিসাবও ঋণের ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে, ফলে ব্যাংকের প্রকৃত আয় ও ঝুঁকির চিত্র আরও বাস্তবসম্মতভাবে প্রতিফলিত হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক মূলধন সমন্বয়ের জন্য অতিরিক্ত পাঁচ বছর সময় দিয়েছে।

২০২০ সালে ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল এ ধরনের মানদণ্ড বাস্তবায়নের প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল। নতুন গাইডলাইন জারির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে এ পদ্ধতি বাস্তবায়নের পথ তৈরি করেছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।