এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি বলেছে, বিএনপি ফ্যাসিবাদের রক্তক্ষয়ী সময়ে সবচেয়ে বেশি গুম-খুন, হামলা-মামলা, ও নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার হয়েও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে। গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থার লক্ষ্য সামনে রেখে বিএনপি এবং এর সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমূহ সারা দেশে ছুটে যাচ্ছে জনগণের দুয়ারে। বিশেষভাবে, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল একযোগে কাজ করে চলেছে। আরো বলা হয়, দেশের ১০টি সাংগঠনিক বিভাগকে ৪টি বৃহত্তর বিভাগে ভাগ করে গ্রহণ করা হয়েছে একটি সমন্বিত ও গতিশীল কর্মসূচি। আমরা প্রতিটি বিভাগে দুই দিনব্যাপী ৪ কর্মসূচি আয়োজন করতে যাচ্ছি। প্রথম দিন একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে, যার শিরোনাম ‘তারুণ্যের ভবিষ্যৎ ভাবনা, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ।’ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হবে!
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।