Web Analytics

ভারতের উত্তর প্রদেশের সাহারানপুর কালেক্টরেট চত্বরে একটি মসজিদ ভেঙে ফেলার তীব্র নিন্দা করেছেন এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতার সাংবিধানিক নিশ্চয়তা মুসলমানদের জন্য এখনও প্রযোজ্য কি না। তাঁর দাবি, ১৯১১ সাল থেকে সংরক্ষিত নথিতে মসজিদটির অস্তিত্বের প্রমাণ রয়েছে এবং সেখানে এক শতাব্দীর বেশি সময় ধরে নামাজ আদায় হয়েছে।

ওয়াইসি বলেন, মসজিদ কমিটি পুরোনো নথি উপস্থাপন করেছিল এবং এটি ‘ওয়াকফ বাই ইউজার’ হিসেবে আইনের অধীনে সুরক্ষিত। সরকারি সম্পত্তির দাবির বিরুদ্ধেও তিনি তামাদি আইন, দীর্ঘদিনের দখল ও অ্যাডভার্স পজেশনের কথা উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য, মসজিদটি কালেক্টরেট প্রতিষ্ঠার আগেই ছিল এবং কারও আপত্তির কারণে বুলডোজার দিয়ে তা ভেঙে দেওয়া যায় না।

আদালতের আদেশে মসজিদ অপসারণের সিদ্ধান্ত বহাল থাকার পর ধ্বংসকাজ শুরু হয়। ৪ সেপ্টেম্বর জেলা জজ মসজিদ কমিটির আপিল খারিজ করে ১৭ জুলাইয়ের সিটি ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বহাল রাখেন। ওই আদেশে সরকারি জমিতে কথিত অবৈধ দখল ও অপব্যবহারের অভিযোগে প্রায় ৬ কোটি ৪১ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয়। অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েনের কথা জানিয়েছে পুলিশ; ইকরা হাসান ও ইমরান মাসুদও পদক্ষেপটির সমালোচনা করেছেন।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।