একটি মন্তব্যধর্মী লেখায় বলা হয়েছে, স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন তথ্য পাওয়ার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের খবর কয়েক সেকেন্ডে মানুষের কাছে পৌঁছালেও, এই অবাধ তথ্যপ্রবাহ সত্যের পাশাপাশি বিভ্রান্তির নতুন পরিবেশও তৈরি করতে পারে। দ্রুত ডিজিটালাইজেশনের পথে থাকা বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক তরুণের ব্যবহার এই বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ করেছে।
লেখাটিতে দুর্যোগে জরুরি তথ্য পৌঁছানো, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া, অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনমত গঠন এবং সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকার কথা বলা হয়েছে। প্রচলিত গণমাধ্যমে জায়গা না পাওয়া মানুষের কথাও এখানে আলোচিত হতে পারে। তবে বাধ্যতামূলক সাংবাদিকতা, সম্পাদনা ও তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়া না থাকায় গুজব, মিথ্যা খবর, বিভ্রান্তিকর ছবি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্যও দ্রুত ছড়ায়।
লেখাটি বলছে, অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীর পছন্দমতো একই ধরনের কনটেন্ট দেখিয়ে ভিন্নমত থেকে দূরে রাখতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিপফেকের মাধ্যমে ভুয়া ছবি, ভিডিও ও অডিও শনাক্ত করা কঠিন হচ্ছে। তাই উৎস, প্রকাশের তারিখ ও একাধিক নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম যাচাই করে শেয়ার করার অভ্যাস গড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের দায়িত্বের কথাও বলা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।