Web Analytics

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এখন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় সংকটে পড়েছে। বাহারছড়া, হ্নীলা ও হোয়াইক্যংয়ের দুর্গম পাহাড়ে স্থানীয় অপরাধী ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ‘হাইব্রিড নেটওয়ার্ক’ গড়ে উঠেছে। তারা পাহাড়কে আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করে অপহরণ ও মানবপাচার চালাচ্ছে। ল্যাপটপ, রাউটার ও সৌরবিদ্যুৎচালিত ডিভাইসের মাধ্যমে তারা পুলিশের গতিবিধি ও ভুক্তভোগীর পরিবারের যোগাযোগ পর্যবেক্ষণ করে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত যৌথ বাহিনীর অভিযানে বহু অপহৃত উদ্ধার হলেও আতঙ্ক কমেনি। কৃষক ও শ্রমজীবীরা পাহাড়ে কাজ করতে ভয় পাচ্ছেন।

অপরাধীরা মুক্তিপণ আদায়ের জন্য আঙুল বা হাত কেটে পরিবারের কাছে পাঠানোর মতো নৃশংস কৌশল ব্যবহার করছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ভয় ও মানসিক ক্ষত তৈরি হয়েছে। পাহাড়ের উচ্চভূমি থেকে সন্ত্রাসীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি নজরদারি করে এবং জ্যামার ব্যবহারে তাদের অবস্থান শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। লেখক সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান, ড্রোন নজরদারি ও গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, টেকনাফ সীমান্ত সুরক্ষা কেবল একটি অঞ্চলের নয়, বরং পুরো দেশের স্থিতিশীলতার প্রশ্ন। এখনই কঠোর ও প্রযুক্তিনির্ভর পদক্ষেপ না নিলে এই এলাকা আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রের ঘাঁটিতে পরিণত হতে পারে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।