Web Analytics

নিবন্ধে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক ভৌগোলিক অবস্থান এবং চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় নিরাপত্তা, সমৃদ্ধি ও কৌশলগত সক্ষমতা বাড়াতে পারে। রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের প্রেক্ষাপটে মিয়ানমার হয়ে বাংলাদেশ-চীন সংযোগ সড়কের প্রস্তাবকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধির সম্ভাব্য পথ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

লেখকের মতে, বাংলাদেশকে কোনো পরাশক্তির প্রতি আনুগত্য, ভয় বা আদর্শিক অবস্থানের বদলে জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে ভারসাম্যপূর্ণ ও বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে হবে। অবকাঠামো, শিল্পায়ন, প্রযুক্তি স্থানান্তর, গবেষণা, শিক্ষা, ডিজিটাল উদ্ভাবন এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে চীনকে সম্ভাব্য অংশীদার হিসেবে বিবেচনার কথা বলা হয়েছে। তবে দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীন নীতিনির্ধারণী সক্ষমতা অক্ষুণ্ন রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত নেটওয়ার্ক বাস্তবায়িত হলে চীনের ইউনান, মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়তে পারে এবং চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে বলে নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে ট্রানজিট, ট্রান্সশিপমেন্ট, লজিস্টিকস ও শিল্প বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এসব সুফলের জন্য অবকাঠামো, নীতিগত সংস্কার, দক্ষ প্রতিষ্ঠান, সুশাসন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।