ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা ডাকসুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইন, বিধি, নীতিমালা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সোমবার জনসংযোগ দপ্তরের উপপরিচালক ফররুখ মাহমুদের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে প্রশাসন এসব কর্মকাণ্ডকে অনাকাঙ্ক্ষিত, অপ্রত্যাশিত ও অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করে।
প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, ডাকসু কলাভবন সংলগ্ন ডাকসু ভবনের পশ্চিম পাশে এবং কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে ‘নির্ভীক জুলাই’ নামে একটি স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করেছে, কিন্তু এ বিষয়ে সিন্ডিকেট বা উপাচার্যের অনুমতি কিংবা আলোচনা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় Dhaka University Order, 1973-এর অনুচ্ছেদ ২৪(এ) উল্লেখ করে বলেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি তদারকি, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব সিন্ডিকেটের। ছাত্র সংসদের সিদ্ধান্তও উপাচার্যের নির্দেশনা সাপেক্ষে নেওয়ার কথা।
ডাকসু সংগ্রহশালায় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও সাবেক ছাত্রসংঘ নেতা আব্দুল মালেকের ছবি প্রদর্শনেরও বিরোধিতা করেছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া অনুমোদন ছাড়া শিক্ষক মূল্যায়ন ওয়েবসাইট চালু এবং শিক্ষকদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের অভিযোগ তুলেছে তারা। বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, নিজস্ব শিক্ষক মূল্যায়ন নীতিমালা অনুমোদিত ও বাস্তবায়নের পথে; বিধি লঙ্ঘন হলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।