Web Analytics

ভারত সফরকালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, নয়াদিল্লি আগামী পাঁচ বছরে ৫০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই ঘোষণা বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যম, বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারা জানতে চাইছেন, ভারত আসলে কী বিষয়ে সম্মত হয়েছে এবং এর বিনিময়ে কতটা লাভবান হবে। ফেব্রুয়ারিতে ঘোষিত অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তির পর এই প্রতিশ্রুতি আসে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করেন এবং ভারত জ্বালানি, কয়লা ও প্রযুক্তি সরঞ্জাম আমদানি বাড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্ব বাণিজ্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এত বড় আমদানি পরিকল্পনার সময়টি অস্বাভাবিক। মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের কিছু শুল্ক ব্যবস্থা বাতিল করার পর ওয়াশিংটন বাণিজ্য অংশীদারদের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে, ভারত কেন আরও ছাড় না নিয়েই এত বড় ক্রয়চুক্তি করছে এবং কেন বিমান চলাচলের মতো খাতে সরবরাহকারীর বিকল্প সীমিত করছে।

চুক্তিটি ভারতের জন্য রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল ও অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ও অভিবাসন নীতি এবং চীন-পাকিস্তানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক নিয়ে ভারতের উদ্বেগও বাড়ছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।