প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দুর্বল অংশে আবারও ‘পুশইন’ নামে পরিচিত জোরপূর্বক সীমান্ত অতিক্রমের ঘটনা ঘটছে। গভীর রাতে নারী, পুরুষ ও শিশুদের সীমান্তে এনে বাংলাদেশে প্রবেশে বাধ্য করা হচ্ছে এবং ব্যর্থ হলে তাদের শূন্যরেখায় খাদ্য ও পানিবিহীন অবস্থায় ফেলে রাখা হচ্ছে। প্রতিবেদনে এই কর্মকাণ্ডকে রাষ্ট্রপরিচালিত মানব পাচার হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নীতি ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তির পরিপন্থী।
প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে, এই ধরনের পদক্ষেপ ভারতের পুরোনো কূটনৈতিক কৌশলের অংশ, যার মাধ্যমে বাংলাদেশকে আলোচনায় চাপের মুখে ফেলার চেষ্টা করা হয়। শেখ হাসিনার আমলে দিল্লির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে এ ধরনের কার্যক্রম অনেকটাই বন্ধ ছিল। কিন্তু হাসিনার পতনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন সরকারের সঙ্গে দিল্লির পুনঃসম্পর্ক স্থাপনের প্রক্রিয়ায় সীমান্তে উত্তেজনা আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রবন্ধে বলা হয়েছে, পুরোনো ‘পুশইন’ নীতি ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে এবং নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশিদের কাছে ন্যায্য সম্পর্কের প্রত্যাশাকে আরও জোরদার করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।