Web Analytics

আলীকদমসহ বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি জনপদে জুমের পাকা ধান কাটতে ব্যস্ত চাষিরা। পাহাড়ের ঢালে কোথাও ধান সোনালি হয়েছে, কোথাও কাটার কাজ চলছে এবং কিছু জুমে ধান এখনো সবুজ। বপনের সময়ের ভিন্নতার কারণে ধান ভিন্ন সময়ে পাকে; সাধারণত আগস্টের শেষ বা সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে ধান কাটা শুরু হয়ে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর পর্যন্ত চলে।

তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের খাদ্য, অর্থনীতি, সামাজিক জীবন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে জুমচাষ জড়িত। একই জমিতে ধানের পাশাপাশি মারফা, মিষ্টি কুমড়া, বেগুন, ভুট্টা, তিল, মরিচ, হলুদ, আদা ও ঢেঁড়সসহ নানা সাথি ফসল উৎপাদন হয়। আদু পাড়ার চাষি মেনক্রাত ম্রো বলেন, সময়মতো বৃষ্টি হওয়ায় তাঁর প্রায় পাঁচ একর জমিতে ফলন মোটামুটি ভালো হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বান্দরবানে ১১ হাজার ৮৯৫ হেক্টর জমিতে জুম আবাদ হয়েছে এবং চাল উৎপাদনের লক্ষ্য ১৩ হাজার ৩৮৭ দশমিক ৯৩ মেট্রিক টন। কৃষি বিভাগ ভালো ফলনের আশা করলেও পাহাড়ি ভূপ্রকৃতিতে বৃষ্টিপাতের তারতম্যে ফলন এলাকায় এলাকায় ভিন্ন হতে পারে। নতুন ধান ঘরে তোলার পর ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নবান্ন উৎসব হবে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।