রিটেইল ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধের পর চাকরি হারানো এইচএসবিসি বাংলাদেশের একদল কর্মকর্তা ব্যাংকটির বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘন, নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে বিভ্রান্ত করা এবং ন্যায্য ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ তুলেছেন। শনিবার সকালে রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
লিখিত বক্তব্যে আলমগীর কবির জানান, চলতি বছরের ৩১ মার্চ রিটেইল ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধের অংশ হিসেবে ২৫৭ জন কর্মকর্তার চাকরি শেষ করা হলেও শ্রম আইনে নির্ধারিত ছাঁটাই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। অভিযোগ করা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে তাদের ‘রিট্রেঞ্চড অফিসিয়ালস’ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও হাতে দেওয়া হয়েছে সাধারণ চাকরিচ্যুতির চিঠি, ফলে তারা আইনগত সুবিধা ও ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এছাড়া প্রভিডেন্ট ফান্ড কর্তন, ঋণ সমন্বয়, পুনর্নিয়োগে বৈষম্য, হোম লোনের সুদ বৃদ্ধি এবং রিলিজ লেটার আটকে রাখার অভিযোগও তোলা হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তারা বাংলাদেশ ব্যাংক ও শ্রম মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আইনগত জবাবদিহি, ন্যায্য সেভারেন্স সুবিধা এবং কেটে নেওয়া অর্থ সুদসহ ফেরতের দাবি জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।