ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শোকানুষ্ঠান একটি কূটনৈতিক মঞ্চে রূপ নেয়, যেখানে কোনো রাজনৈতিক ভাষণ ছাড়াই কোরআনের আয়াত তেলাওয়াতের মাধ্যমে বার্তা দেওয়া হয়। তেহরানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মুসলিম দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম, অনুষ্ঠানে অংশ নেন। তাঁকে শোনানো হয় সূরা আল-আহজাবের ২৩ নম্বর আয়াত, আর ১১ দলীয় জোটের নেতাদের শোনানো হয় সূরা আলে-ইমরানের ১৬৯–১৭০ নম্বর আয়াত। প্রতিটি আয়াতেই ছিল ঈমান, ত্যাগ ও অটলতার বার্তা, যা অনুষ্ঠানের আধ্যাত্মিক আবহকে আরও গভীর করে তোলে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই আয়াতগুলোর তেলাওয়াত ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি এক প্রতীকী শ্রদ্ধা হিসেবে বিবেচিত হয়। ইরানের এই আধ্যাত্মিক উদ্যোগ আন্তর্জাতিক পরিসরে সেই শহীদদের আত্মত্যাগকে সম্মানিত করেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।