জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ মনগড়া বলে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। মঙ্গলবার ঢাকার সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সচিব সাইদুর রহমান খান বলেন, অভিযোগ যাচাইয়ে প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছে পারস্পরিক আইনি সহায়তার আওতায় তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠানো হবে।
সাইদুর রহমান খান বলেন, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং বিষয়টি এখনো অনুসন্ধান ও তদন্ত পর্যায়ে আছে। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন কমিশনের কাছে উপস্থাপন করা হবে; প্রমাণের ভিত্তিতে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। আসিফ মাহমুদের দায়িত্ব পালনের সময় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি-সংক্রান্ত নথিও দুদকের হাতে এসেছে।
২ সেপ্টেম্বর দুদক আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে, পরে আরও অভিযোগ যুক্ত করে। অভিযোগগুলোর মধ্যে বিদেশে অর্থ পাচার, ঘুষ, নিয়োগ-পদায়ন বাণিজ্য, টেন্ডার কমিশন এবং সরকারি অর্থের অপব্যবহার রয়েছে। আসিফ মাহমুদ অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযোগের অঙ্ক পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দুদক ব্যবহারের আশঙ্কার কথা বলেছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।