Web Analytics

সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল এইচ আর এম রোকন উদ্দিনের একটি মতামত নিবন্ধে বলা হয়েছে, জুলাই বিপ্লবের পর বাংলাদেশের চীন, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিস্তারের প্রবণতা ভারতকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। ১৭ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত লেখাটিতে এই পরিবর্তনকে আকস্মিক নয়, বরং ভারতের দীর্ঘদিনের বাংলাদেশনীতি ও একক রাজনৈতিক শক্তিনির্ভর কৌশলের পরিণতি হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

লেখকের ভাষ্য অনুযায়ী, হাসিনা সরকারের সময়ে ভারত ট্রানজিট, বিদ্রোহী দমন এবং বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় ইস্যুতে সুবিধা পেয়েছে। নিবন্ধে ফারাক্কা, অমীমাংসিত তিস্তা চুক্তি, সীমান্ত হত্যা, বাণিজ্যঘাটতি ও হঠাৎ রপ্তানি নিষেধাজ্ঞাকে বাংলাদেশের প্রধান অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতীয় গণমাধ্যমের কিছু বয়ান এবং ‘অখণ্ড ভারত’ ভাবনার সঙ্গে যুক্ত বক্তব্যকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে উদ্বেগ তৈরির কারণ বলা হয়েছে।

নিবন্ধে চীনা অবকাঠামো ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং তুরস্কের সঙ্গে ড্রোন প্রযুক্তিসহ সম্পর্ককে বাংলাদেশের বিকল্প বাড়ানোর প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হয়েছে। লেখক ভারতের শিলিগুড়ি করিডোর ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগকে বাস্তব বলে স্বীকার করেছেন। তবে পানি, সীমান্ত নিরাপত্তা ও বাণিজ্যে বাস্তব ছাড় এবং পারস্পরিক সম্মান ছাড়া বর্তমান দূরত্ব কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রূপ নিতে পারে বলে তিনি মত দেন।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।