রংপুরের বদরগঞ্জ পৌর শহর ও উপজেলার ১০ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে। ২৬ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয়দের বরাতে বলা হয়, প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন স্পটে মাদক কেনাবেচা ও সেবন চলে। প্রতিবেদনের তথ্যানুসন্ধানে উপজেলায় দেড় শতাধিক মাদক ব্যবসায়ী এবং নারী-পুরুষ, যুবক-যুবতী মিলিয়ে প্রায় ৫০ হাজারের বেশি মাদকসেবী থাকার দাবি করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে ছোট বিক্রেতারা গ্রেপ্তার হলেও বড় কারবারিরা অধরা থাকেন। তারা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে কারবারিদের যোগাযোগ এবং প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও তুলেছেন। প্রতিবেদনে নাগেরহাট বাজারসহ রেলস্টেশন, হাটবাজার ও বিভিন্ন এলাকার নাম উল্লেখ করে মাদক বিক্রির অভিযোগ করা হয়। কয়েকজনের বিরুদ্ধে ইয়াবা, ফেনসিডিল, হেরোইন এবং অন্যান্য মাদক বিক্রির অভিযোগও স্থানীয় সূত্রে উঠে এসেছে।
স্থানীয় বিএনপি নেতা সবুজ সোনার মেম্বার ও ইলিয়াস আলীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তারা মাদক কারবার বা সেবনকারীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন, তবে বালু বিক্রির সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। বদরগঞ্জ থানার ওসি হাসান জাহিদ সরকার মাদক কারবারি ও সেবনকারীর সংখ্যা রেজিস্টার না দেখে বলতে পারবেন না বলে জানান। রংপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু জাফর জনবল ও যানবাহন সংকটের কথা উল্লেখ করে বলেন, সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বদরগঞ্জসহ সব উপজেলায় অভিযান চলছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।