উপাচার্য নিয়োগের ৫৭ দিনের মাথায় পরিবর্তনের পর চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চুয়েট, টানা ২০ দিন ধরে অচল রয়েছে। শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন। তাঁদের দাবি, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহাল করতে হবে এবং ভবিষ্যতে চুয়েটের শিক্ষাবিদদের মধ্য থেকে উপাচার্য নিয়োগ দিতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর সায়েমকে সরিয়ে একই দিনে কুয়েটের অধ্যাপক ড. শেখ শরিফুল আলমকে নতুন উপাচার্য করা হয়।
অধ্যাপক সায়েম ২৭ জুলাই চার বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছিলেন এবং পরদিন দায়িত্ব নেন। নতুন উপাচার্য নিয়োগের চার দিন পর অনলাইনে যোগ দিলেও এখনো ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারেননি। চুয়েট শিক্ষক সমিতিও সায়েমের পুনর্বহাল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর থেকে ভবিষ্যৎ উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে একমত হয়েছে। সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আহসান উল্লাহ বলেন, সাধারণ সভায় সবাই এ দাবির বিষয়ে একমত হয়েছেন।
প্রতিবেদনে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘন ঘন উপাচার্য পরিবর্তন নিয়ে অসন্তোষের কথা বলা হয়েছে। শিক্ষাবিদরা নিয়োগে রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে একাডেমিক যোগ্যতা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও নেতৃত্বের সক্ষমতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অতিরিক্ত সচিব ও জনসংযোগ কর্মকর্তা সংকট সমাধানে উদ্যোগের তথ্য জানাতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে চুয়েটের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।