মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম সম্প্রতি বলেছেন, মিয়ানমার মালয়েশিয়া থেকে পাঁচ হাজার এবং বাংলাদেশ থেকে তিন লাখ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে। ৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে এ ঘোষণাকে মিয়ানমারের সামরিক নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে মালয়েশিয়ার শক্তিশালী কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিবাচক ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ এবং এ ধরনের বিষয় সতর্ক কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান করতে হয়।
বাংলাদেশে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে বলে লেখায় উল্লেখ করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান দেশের অর্থনীতি, সমাজ, পরিবেশ ও নিরাপত্তায় চাপ তৈরি করছে এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ায় খাদ্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক চাহিদা পূরণে সংকটের আশঙ্কা রয়েছে। লেখাটিতে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা সংকটের মূল দায় মিয়ানমারের দীর্ঘদিনের বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রনীতির।
প্রত্যাবাসন নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ হওয়া দরকার বলে বিশ্লেষণে জোর দেওয়া হয়েছে। নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা, স্বাধীন চলাচল, ভূমির অধিকার এবং বৈষম্যহীন জীবন নিশ্চিত করার পাশাপাশি UNHCR, IOM ও স্বাধীন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের অংশগ্রহণের কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশকে পরিচয় যাচাই, নির্দিষ্ট সময়সূচি ও আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তার দাবিতে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।