Web Analytics

পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের সামরিক সমন্বয় এখন কেবল কূটনৈতিক ঘোষণায় সীমাবদ্ধ নয়; যৌথ মহড়া, প্রযুক্তি বিনিময় ও অর্থনৈতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে এটি একটি কার্যকর কাঠামোয় রূপ নিচ্ছে। পাকিস্তানের বৃহৎ সেনাশক্তি, সৌদি আরবের উচ্চ প্রতিরক্ষা ব্যয় এবং তুরস্কের উন্নত প্রতিরক্ষা শিল্প একত্রে এমন একটি নিরাপত্তা কাঠামো তৈরি করছে, যা ভারতের কৌশলগত মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষত তুরস্কের ড্রোন ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সক্ষমতা পাকিস্তানের হাতে গেলে তা ভারতের সীমান্ত পরিকল্পনায় নতুন চ্যালেঞ্জ আনতে পারে।

কাশ্মীর ইস্যুতে তুরস্কের অবস্থান ও পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ভারতের জন্য রাজনৈতিক সতর্কতার কারণ হয়েছে। অন্যদিকে সৌদি আরব ভারতের অন্যতম তেল সরবরাহকারী ও শ্রমবাজার হওয়ায় দিল্লি রিয়াদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে চেষ্টা করছে যাতে এই ঘনিষ্ঠতা ভারতের বিরুদ্ধে কোনো কৌশলগত প্ল্যাটফর্মে পরিণত না হয়।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে লেখক মনে করেন, কোনো সামরিক জোটে যুক্ত হওয়া তার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি ও শান্তিরক্ষাকারী ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। সংযম, নিরপেক্ষতা ও কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বজায় রাখাই বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থে সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত পথ।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।