বাংলাদেশে সরকারি চাকরির কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগে গিয়ে পৌঁছেছে। ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা বংশধরদের জন্য সংরক্ষিত কোটা বাতিলের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। কৃষক পরিবারের সন্তান ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ ছিলেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক। পুলিশের গুলিতে তার মৃত্যু সারা দেশে ক্ষোভ ছড়িয়ে দেয় এবং হাজারো মানুষকে রাস্তায় নামিয়ে আনে।
প্রথমে কোটা সংস্কারের দাবিতে সীমাবদ্ধ থাকলেও আন্দোলন পরে পদ্ধতিগত পরিবর্তন ও শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে রূপ নেয়। সাঈদসহ দুই শতাধিক বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর পর হাইকোর্ট কোটা কমিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনিদের জন্য ৭ শতাংশ নির্ধারণ করে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তও আন্দোলন থামাতে পারেনি।
অবশেষে শেখ হাসিনা বুঝতে পারেন আন্দোলন দমন অসম্ভব, এবং তিনি সামরিক বিমানে দেশ ত্যাগ করেন। ছাত্র-জনতার এই আন্দোলন প্রমাণ করেছে, বাংলাদেশের মানুষ মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের বিনিময়ে অর্থনৈতিক উন্নয়ন মেনে নেবে না।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।