প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শিক্ষার লক্ষ্য শুধু কর্মসংস্থান সৃষ্টি নয়; নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনও এর প্রধান উদ্দেশ্য। সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত বিশ্ব শিক্ষক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, নৈতিকতার সঙ্গে জ্ঞান যুক্ত না হলে তা সমাজের কল্যাণের বদলে অকল্যাণ ডেকে আনতে পারে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্তরের ১০২ জন গুণী শিক্ষক এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচিত সাতজন শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, পারিবারিক পাঠশালার পর শিক্ষক-শিক্ষিকারাই শিক্ষার্থীদের প্রধান আদর্শ হয়ে ওঠেন এবং সুনাগরিক তৈরিতে ভূমিকা রাখেন। সোশ্যাল মিডিয়া ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশের সময়ে কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষা জরুরি হয়ে উঠেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সরকার নতুন সিলেবাস প্রণয়ন করেছে এবং এ বছরের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা নতুন সিলেবাসের বই পাবে। মুখস্থনির্ভর শিক্ষার বদলে কৌতূহল ও অনুসন্ধিৎসা গড়ে তোলার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, ষষ্ঠ শ্রেণিতে প্রথমবারের মতো ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বই দেওয়া হবে এবং পরে অন্য শ্রেণিতেও তা সম্প্রসারণ করা হবে। তিনি ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি, মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ ও বিনা মূল্যের ওয়াই-ফাই সম্প্রসারণের কথা বলেন। জাতীয় বাজেটে প্রথমবার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।