পাকিস্তানের পার্লামেন্ট আগস্টের শেষ দিকে দুটি আইন পাস করে দেশের নতুন চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস বা সিডিএফ পদের ক্ষমতা স্পষ্টভাবে বিধিবদ্ধ করেছে। ২০ আগস্ট জাতীয় পরিষদ ডিফেন্স ফোর্সেস অব পাকিস্তান অ্যাক্ট, ২০২৬ এবং ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটি অ্যাক্ট, ২০১০-এর সংশোধনী অনুমোদন করে। গত বছরের ২৭তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে তৈরি পদটিতে বর্তমানে সেনাপ্রধান ও ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির দায়িত্ব পালন করছেন।
নতুন আইনে ১৯৭৬ সালে চালু হওয়া চেয়ারম্যান জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটি পদ বিলুপ্ত করে ডিফেন্স ফোর্সেস হেডকোয়ার্টার্স গঠন করা হয়েছে। আগের চেয়ারম্যানের ভূমিকা মূলত তিন বাহিনীর সমন্বয়ে সীমিত ছিল এবং সরাসরি কমান্ড দেওয়ার ক্ষমতা ছিল না। নতুন ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী থেকে সিডিএফ, এরপর তিন বাহিনীর প্রধান ও মাঠপর্যায়ের কমান্ড পর্যন্ত একটি নির্দিষ্ট কমান্ড চেইন তৈরি হয়েছে। সিডিএফ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ওপর সামগ্রিক অপারেশনাল কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ করবেন।
সমালোচকদের মতে, ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক কমান্ড পদ শুধু সেনা কর্মকর্তাদের জন্য রাখায় সামরিক কাঠামো আরও সেনাবাহিনীকেন্দ্রিক হতে পারে। তাঁদের আশঙ্কা, কর্মকর্তাদের বরখাস্ত, অবসর বা চাকরির মেয়াদ কমানোর ক্ষমতা সিডিএফের হাতে কেন্দ্রীভূত হওয়ায় বেসামরিক তদারকি দুর্বল হবে এবং সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৪৩ নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। সমর্থক আইনজীবীরা বলছেন, আইনগুলো গত বছরের সাংবিধানিক পরিবর্তনের প্রয়োজনীয় আইনি রূপ দিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।