Web Analytics

নেপালের রাসুয়া জেলার ১৬ বছর বয়সী সামির তামাং আশ্রয় নিয়েছেন লাহারেপাউয়ার শিবালয়া বেসিক স্কুলে, ভোতেকোশি নদীর বন্যায় তাঁর বাড়ি ভেসে যাওয়ার পর। ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে বরফ ও পাথরের ধস থেকে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় তাঁর দুই বোন নিখোঁজ হয়। ১৩ বছর বয়সী প্রিয়া ও সাত বছর বয়সী পার্বতী তখন বাড়িতেই ছিল।

সামির বলেন, ছোট বোনের হাতে আঘাত থাকায় সে স্কুলে যেতে পারেনি এবং তাকে দেখাশোনার জন্য বড় বোনও বাড়িতে ছিল। তাঁর বাবা সূর্য প্রাণ বাঁচাতে পালিয়েছেন, আর মা ছেসাং কুয়েতে কর্মরত। রাসুয়া ও নুয়াকোটের শত শত শিশু এখন ত্রাণ ও আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছে; অনেকে স্বজন, বাড়িঘর কিংবা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্যোগে ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ৫ হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২৫০ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিখোঁজ বা যোগাযোগের বাইরে আছেন। ইউনিসেফের হিসাবে প্রায় ১৭ হাজার শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নুয়াকোট, রাসুয়া, ধাদিংসহ বিভিন্ন জেলায় ২৩টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।