ক্যাসপারস্কির ৭ হাজার ২০০ জনের ওপর বিভিন্ন দেশে পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, জেন-জির অনেকেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে শুধু তথ্য বা কাজের প্রযুক্তি হিসেবে নয়, বন্ধুর মতোও ব্যবহার করছে। ১৯ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, জেন-জির ২৭ শতাংশ এআইয়ের সঙ্গে বন্ধুর মতো কথা বলে এবং ২৮ শতাংশ এমন ব্যক্তিগত বিষয়ে পরামর্শ নেয়, যা তারা অন্য মানুষের সঙ্গে সহজে ভাগ করতে চায় না।
গবেষণা অনুযায়ী, অন্য প্রজন্মের তুলনায় জেন-জির মধ্যে এআই ব্যবহারের হার বেশি। জরিপে অংশ নেওয়া তরুণদের ৪৭ শতাংশ প্রতিদিন বা নিয়মিত এআই ব্যবহারের কথা জানিয়েছে। তাদের ৫৬ শতাংশ তথ্য খোঁজার জন্য, ৪৯ শতাংশ পড়াশোনায়, ৪৭ শতাংশ নতুন ধারণা তৈরিতে এবং ৩৯ শতাংশ কর্মক্ষেত্রের নানা কাজে এআই ব্যবহার করে।
জরিপে নিরাপত্তা বিষয়ে সতর্কতার ঘাটতিও উঠে এসেছে। মাত্র ৪২ শতাংশ জেন-জি ব্যবহারকারী নিয়মিত তথ্য যাচাই ও ব্যক্তিগত বা গোপন তথ্য না দেওয়ার মতো সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেয়। ৫২ শতাংশ মাঝে মাঝে এসব পদক্ষেপ নেয় এবং ৬ শতাংশ কোনো ব্যবস্থা নেয় না। ক্যাসপারস্কির ভ্লাদিস্লাভ তুশকানভ বলেছেন, এআইয়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত কথোপকথনকে সম্পূর্ণ গোপন বা নির্ভরযোগ্য ধরে নেওয়া উচিত নয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।