রাজনৈতিক নেতা, আইনজীবী ও বিশ্লেষকেরা বলেছেন, বাংলাদেশের সাইবার সুরক্ষা আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী নতুন করে ডিজিটাল ফ্যাসিবাদের পথ সুগম করতে পারে এবং বাক্স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার সংকুচিত করতে পারে। শনিবার সকালে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে এ আশঙ্কার কথা বলা হয়। ‘সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটি, এনসিপি’ আয়োজিত আলোচনার বিষয় ছিল প্রস্তাবিত সংশোধনী এবং বাক্স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকারের ভবিষ্যৎ।
এনসিপির সদস্যসচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগে অতীতে সাংবাদিক, লেখক ও সাধারণ মানুষ গ্রেপ্তার ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। তাঁর মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ অনলাইন অপরাধ মোকাবিলার পাশাপাশি অযাচিত গ্রেপ্তার ও হয়রানির সুযোগ সীমিত রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সংশোধনী অপরাধের সংজ্ঞাকে অস্পষ্ট ও ব্যাপক করতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
বক্তারা গুজব, মানহানি, অপমান ও অপতথ্যসংক্রান্ত বিধানের সংজ্ঞা স্পষ্ট করার দাবি জানান। ডেইলি ওয়াদারের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ বলেন, ৮ ধারায় বিচারিক অনুমোদন ছাড়া কনটেন্ট ব্লক বা অপসারণের ক্ষমতা উদ্বেগজনক এবং এতে সংবাদমাধ্যমে স্ব-আরোপিত সেন্সরশিপ তৈরি হতে পারে। অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা কনটেন্ট অপসারণের ক্ষমতা কেবল আদালতের হাতে রাখার পক্ষে মত দেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।