Web Analytics

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ২৬ আগস্ট ২০২৬ সালে একটি হিমবাহ ধস থেকে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। লাংতাং লিরুংয়ের কাছে বরফ ও পাথরের বিশাল অংশ লেন্দে নদীতে পড়ে নদীর গতিপথ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। পরে ধ্বংসাবশেষের বাঁধ ভেঙে ভাটির উপত্যকায় প্রবল বন্যা নামে এবং ভোতেকোশি ও ত্রিশূলী নদী অববাহিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রতিবেদনের হিসাবে, এ পর্যন্ত ৪৬৯ জন নিহত, প্রায় দেড় হাজার আহত এবং প্রায় দেড় হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বিজ্ঞানীরা ঘটনাটিকে বৃষ্টিজনিত বন্যা নয়, বরং ধারাবাহিক ভূ-প্রাকৃতিক বিপর্যয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন। হিমবাহ ধসের অভিঘাতে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্পের সমতুল্য কম্পন সংকেত তৈরি হলেও ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে পরে জানায়, সেখানে কোনো প্রাকৃতিক ভূমিকম্প হয়নি। কাদা, গুঁড়ো বরফ ও পাথরের স্রোত প্রথম ২২ কিলোমিটার পথে গড়ে ঘণ্টায় প্রায় ১৯৩ কিলোমিটার বেগে চলেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি পারমাফ্রস্ট দুর্বল হওয়া, হিমবাহ সরে যাওয়া, অস্বাভাবিক তাপমাত্রা এবং খাড়া পাহাড়ি ভূপ্রকৃতিকে ঝুঁকি বৃদ্ধির কারণ হিসেবে তুলে ধরেছে। দুর্যোগের দুই দিন আগে এলাকায় তীব্র তাপপ্রবাহ হয়েছিল বলেও এতে বলা হয়েছে। ধসে যাওয়া সড়ক ও ভাঙা সেতুর কারণে দুর্গম এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।