Web Analytics

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর বিদেশি নাগরিকদের লাশ, মৃত্যুসনদ বা ব্যক্তিগত জিনিসপত্র পরিবারকে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী শেষকৃত্য করতে পারছেন না স্বজনেরা। প্রতিবেদনে বলা হয়, গাঁজা পাচারের দায়ে দণ্ডিত ইথিওপিয়ার ২৫ বছর বয়সি কিব্রম কিনফে আরেগাউই ও ২৬ বছর বয়সি সিগাবু গেব্রেমারিয়ামের ২৩ জুন আসির প্রদেশের খামিস মুশাইত কারাগারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়।

দুই পরিবারের সদস্যরা জানান, তাঁরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা সৌদিতে থাকা স্বজনদের কাছ থেকে মৃত্যুর খবর পেয়েছেন। কিব্রমের বাবা বলেন, মৃত্যুদণ্ডের আগে ছেলে পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাননি এবং তিনি ছেলের দোষী সাব্যস্ত হওয়া নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। সিগাবুর পরিবার স্থানীয় গির্জায় প্রতীকী শেষকৃত্য ও প্রার্থনার আয়োজন করেছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, ২৭ জুলাই পর্যন্ত আগের এক বছরে সৌদি আরব ১১৬ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, মাদকসংক্রান্ত অপরাধে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ব্যক্তিদের ৭৫ শতাংশ বিদেশি নাগরিক। সৌদি আইনে দূতাবাসের খরচে লাশ দেশে পাঠানোর সুযোগ থাকলেও গবেষক দুয়া ধাইনি বলেন, তাঁদের জানা মতে কোনো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অভিবাসীর লাশ পরিবারকে ফেরত দেওয়া হয়নি। বিবিসির মন্তব্যের অনুরোধে সৌদি কর্তৃপক্ষ সাড়া দেয়নি।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।