ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়নকে অতিরিক্ত ২৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হয়েছে, যা প্রতিদিন গড়ে ৫৮৭ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। ২৫ এপ্রিল ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ব্যয়বৃদ্ধির চাপ কমাতে ইইউ একগুচ্ছ জরুরি পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, পাঁচ বছরেরও কম সময়ে দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপ আমদানি করা জ্বালানির ওপর নির্ভরতার কারণে বড় অর্থনৈতিক চাপে পড়েছে, যা ২০২২ সালের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর নতুন সংকট তৈরি করেছে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা ও বিমানবন্দর শিল্প সংগঠন সতর্ক করেছে যে ইউরোপ বিমানের জ্বালানির প্রায় ৭০ শতাংশ আমদানি করে, যা কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ঘাটতির মুখে পড়তে পারে। তারা সদস্য দেশগুলোকে বিমান চলাচলসংশ্লিষ্ট কর স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছে। জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে ইউরোপের অনেক জেলে মাছ ধরা বন্ধ করেছেন, আর জার্মান কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধ জার্মানির অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুতর আঘাত হেনেছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ইউরোজোনের ২১টি দেশ ও যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে দিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।