মহান শিক্ষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ উঠে এসেছে; বহু আন্দোলন, নীতি ও উদ্যোগের পরও কাঙ্ক্ষিত মান নিশ্চিত হয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস পালিত হচ্ছে ১৯৬২ সালের বৈষম্যমূলক শিক্ষা সংকোচন নীতিবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে। প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত আধুনিক সমন্বিত শিক্ষা আইন ও স্থায়ী কারিকুলামের অভাবকে বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অপর্যাপ্ত বাজেট, দক্ষ শিক্ষক, ল্যাব ও শিক্ষাসামগ্রীর ঘাটতি, দলীয়করণ এবং কর্মসংস্থানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কারিকুলাম শিক্ষার মান দুর্বল করছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. বিলাল হোসাইন বলেন, মুখস্থনির্ভর ও পরীক্ষাকেন্দ্রিক ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না। শহর-গ্রাম, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সামাজিক শ্রেণির মধ্যে সুযোগ এবং মানের বৈষম্যও রয়েছে।
বিএনপি সরকার কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। এর মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ইশতেহারে প্রতিশ্রুত শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠনের কোনো উদ্যোগের খবর পাওয়া যায়নি। দীর্ঘদিনের শিক্ষা আইনও এখনো পাস হয়নি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।