নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়াদী গ্রেনেট বাবুর বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি ২০২৩ সালে সরকারি প্রকল্পের অর্থ ব্যবহার করে ইউনিয়ন পরিষদের জায়গায় চারটি দোকান নির্মাণ করেন এবং দোকানপ্রতি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জামানত নেন। এছাড়া প্রতি মাসে ৮ হাজার টাকা ভাড়া নিজের লোক মারফত উত্তোলন করে সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে নিজের কাছে রেখেছেন। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
তদন্তে জানা যায়, দোকান নির্মাণ ও অর্থ লেনদেনের কোনো তথ্য ইউনিয়ন পরিষদের রেজিস্টারে নেই এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতিও নেওয়া হয়নি। প্রশাসনিক কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ জানান, পরিষদের কাছে দোকানের জামানত ও ভাড়ার কোনো তথ্য নেই এবং তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। কয়েকজন ইউপি সদস্য ও এক ব্যবসায়ীও নিশ্চিত করেছেন যে চেয়ারম্যান সরাসরি টাকা নিয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি জানেন এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।