কার্পাথিয়ান পর্বতমালার পাদদেশে স্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি ও রোমানিয়ার মাঝের ইউক্রেনের পশ্চিমতম অঞ্চল জাকারপট্টিয়া রাশিয়ার ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির আগ্রাসনের পর থেকে তুলনামূলকভাবে বড় হামলা এড়িয়েছে। পূর্ব ইউক্রেনে তীব্র যুদ্ধ এবং অন্য অঞ্চলে রুশ ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চললেও, এখানকার বাসিন্দারা বিমান হামলার সাইরেন ও বিস্ফোরণ ছাড়াই রাত কাটাতে পারাকে বড় স্বস্তি মনে করেন।
বোমা হামলা ও রুশ দখল থেকে পালিয়ে আসা বহু অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত মানুষ জাকারপট্টিয়ায় আশ্রয় নিয়েছেন। হাঙ্গেরি সীমান্ত থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরের বেরেহোভে বাখমুত যুদ্ধে গুরুতর আহত সাবেক সেনা সদস্য সেরহি লাজারেঙ্কো ফিরেছেন। খারকিভ অঞ্চল থেকে একটি ধাতব পণ্য উৎপাদনকারী বড় কোম্পানিও বেরেহোভে স্থানান্তরিত হয়ে পরিত্যক্ত কারখানা সংস্কার করে উৎপাদন শুরু করেছে।
তবে যুদ্ধের প্রভাব পুরোপুরি দূর হয়নি। জাকারপট্টিয়ায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট কম এবং যুদ্ধকালীন কারফিউ নেই, কিন্তু স্থানীয়রা সম্মুখযুদ্ধে পরিচিতজন হারিয়েছেন। বেরেহোভে নিহত সেনাদের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রায় ১০০ বাসিন্দা অংশ নেন; বাখমুত যুদ্ধে নিহত একজনের স্মারকফলকও স্থাপন করা হয়, যার মরদেহ কখনো ফেরানো যায়নি। তেতিয়ানা দুব বলেন, শারীরিকভাবে যুদ্ধ না থাকলেও ভবিষ্যৎ ও যুদ্ধের স্থায়িত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা মানসিকভাবে হতাশাজনক।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।