Web Analytics

একদল বিজ্ঞানী চাঁদের মাটি পরীক্ষা করে ভিনগ্রহের প্রযুক্তির ক্ষুদ্র ধ্বংসাবশেষ খোঁজার প্রস্তাব দিয়েছেন। তাঁদের অনুমান, মিল্কিওয়ে ছায়াপথে কখনো প্রযুক্তিসম্পন্ন সভ্যতা থাকলে তাদের অবকাঠামোর ক্ষুদ্র কণা মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে চাঁদের পৃষ্ঠে জমা হতে পারে। এসইটিআই ইনস্টিটিউটের সহযোগী বিজ্ঞানী ও বির্কবেক কলেজের গবেষক লুইস পিনোর নেতৃত্বে হওয়া গবেষণাপত্রটি ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব অ্যাস্ট্রোবায়োলজি-তে পর্যালোচনাধীন।

গবেষকেরা এসব কল্পিত কণার নাম দিয়েছেন ‘আর্কিপভ পার্টিকল’, ইউক্রেনীয় গবেষক আলেক্সি ভি. আরখিপভের নামে। ক্ষুদ্র সক্রিয় ভিনগ্রহের যন্ত্রের সম্ভাব্য নাম রাখা হয়েছে ‘ব্রেসওয়েল পার্টিকল’। গবেষণার সঙ্গে যুক্ত নন এসইটিআই ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী সোফিয়া শেখ; তিনি ধারণাটিকে সৃজনশীল ও অনুসরণযোগ্য পথ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

পরীক্ষার জন্য বিজ্ঞানীরা প্রায় এক ঘনমিটার বা ৩৫ ঘনফুট চাঁদের মাটি সংগ্রহ ও বিশেষ যন্ত্রে ছেঁকে কৃত্রিম কণা শনাক্তের প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে পাওয়া কণা মানুষের মহাকাশ অভিযানের ধ্বংসাবশেষও হতে পারে। তাই সেটি পৃথিবীর তৈরি নাকি ভিনগ্রহের, তা নির্ধারণে রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য বা কেমিক্যাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষা করতে হবে। সহলেখক ইয়ান ক্রফোর্ড সম্ভাবনাকে খুব কম বললেও একটি নিশ্চিত কণার আবিষ্কারকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেছেন।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।