বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে জানিয়েছেন, মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ভারতের সীমান্তের স্পর্শকাতর স্থানে একই ধরনের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা বিবেচনাধীন রয়েছে। সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশ ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ইতোমধ্যে জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার ও সীমান্ত অপরাধ শূন্যে নামাতে সমন্বিত পদক্ষেপ নিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, আন্তর্জাতিক আইনে সার্বভৌম দেশগুলো নিজেদের সীমান্তে নিরাপত্তার জন্য স্থাপনা নির্মাণে স্বাধীন। তবে ১৯৭৪ সালের ভারত-বাংলাদেশ চুক্তি অনুযায়ী শূন্যরেখা থেকে দেড়শ গজের মধ্যে প্রতিরক্ষা স্থাপনা করা যায় না। অধ্যাপক সাহাব এনাম খান মনে করেন, নিরাপত্তার স্বার্থে বেড়া নির্মাণ বাংলাদেশের অধিকারভুক্ত, যদিও সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সী ফয়েজ একে পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি হিসেবে দেখছেন।
পর্যবেক্ষকদের মতে, কাঁটাতারের বেড়ার চেয়ে ড্রোন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর নজরদারি প্রযুক্তি বেশি কার্যকর ও মানবাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে। ইতোমধ্যে সীমান্ত সড়ক প্রকল্প অনুমোদন এবং সংবেদনশীল এলাকায় স্মার্ট সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।