এক ইরানি কর্মকর্তা বলেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ন্যায়সংগত ও মর্যাদাপূর্ণ চুক্তি চায় এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবে আত্মরক্ষার জন্যও পুরোপুরি প্রস্তুত। গত মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে হোয়াইট হাউসকে আন্তরিকতা ও আগ্রাসন স্থায়ীভাবে বন্ধের প্রকৃত সদিচ্ছা দেখাতে হবে।
কর্মকর্তার অভিযোগ, আলোচনায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার সময়ও ইরানের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ২০২৫ সালের জুন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি এবং এ বছরের জুনে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরের অল্প সময় পর হামলার কথা উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব ঘটনার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের আশ্বাসে ইরানের আস্থা নেই এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলছে।
জাতিসংঘের অধিবেশনে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাত দিনের একটি পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। এতে যুদ্ধ শেষ ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার পদক্ষেপ রয়েছে; ষষ্ঠ দিনে প্রণালি খোলা এবং সপ্তম দিনে চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনা শুরুর কথা বলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র স্থায়ীভাবে সংঘাত বন্ধে আন্তরিক প্রমাণ দিলে ইরান কূটনীতিকে আবার সুযোগ দিতে প্রস্তুত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।