Web Analytics

ডেইলি সাবাহ অবলম্বনে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে, ক্ষমতাসীন বিজেপি, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ এবং অন্যান্য হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের তৎপরতায় ভারতে মুসলমান ও মুসলিম সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ক্রমে প্রান্তিক হচ্ছে। নিবন্ধটির ভাষ্য, মুসলমানদের শারীরিকভাবে উচ্ছেদ না করেও তাদের রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংস্কৃতিকভাবে দুর্বল করা সম্ভব। এতে ২৯ আগস্ট নিউ ইয়র্কে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের বক্তব্যও উল্লেখ করা হয়েছে; তিনি বলেন, ভারতে মুসলিম থাকা উচিত নয় মনে করলে কেউ হিন্দু থাকবেন না।

নিবন্ধটি ওই বক্তব্যের সঙ্গে মুসলিম প্রতিনিধিত্বের পরিসংখ্যানের তুলনা করেছে। এতে বলা হয়েছে, ভারতের জনসংখ্যার ১৪ শতাংশের বেশি মুসলিম হলেও ৫৪৩ সদস্যের লোকসভায় মুসলিম সদস্য ২৪ জন এবং ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের কোনো মুসলিম সদস্য নেই। ২০২২ সাল থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় কোনো মুসলিম মন্ত্রী নেই বলেও এতে উল্লেখ করা হয়েছে। রাজ্য বিধানসভাগুলোতে মুসলিম সদস্যসংখ্যা ২০১৩ সালের ৩৩৯ থেকে ২৫৫-এ নেমেছে বলে নিবন্ধের দাবি।

উর্দু ভাষার ব্যবহার কমে যাওয়া এবং দিল্লি সালতানাত ও মোগল আমল-সংক্রান্ত পাঠ্যবিষয় কমানো বা বাদ দেওয়ার কথাও এতে এসেছে। মুসলিম শাসনকে ‘বিদেশি’ হিসেবে উপস্থাপন করলে জাতীয় স্মৃতিতে মুসলিম ঐতিহ্যের স্থান সংকুচিত হতে পারে বলে নিবন্ধটি মত দিয়েছে। আহমেদাবাদে মালালা ইউসুফজাই ও অ্যান ফ্রাঙ্কের বই নিয়ে গণপাঠে বাধার ঘটনাও উল্লেখ করে এতে বলা হয়েছে, সমজাতীয়করণ ভারতের বুদ্ধিবৃত্তিক বহুত্ববাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।